এই গোপনীয়তা নীতি শুধুমাত্র দৈনিক গণকণ্ঠের তৈরি ওয়েবসাইট ও কনটেন্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। কোনো নকল ওয়েবসাইট, পেজ বা গ্রুপে প্রচারিত কিংবা দৈনিক গণকণ্ঠের লোগো-সংবলিত ভুয়া কনটেন্টের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না।
দৈনিক গণকণ্ঠ নানা উদ্দেশ্যে পাঠকদের তথ্য সংগ্রহ করে থাকে। উদাহরণস্বরূপ—
পাঠকদের সেবা প্রদান
সেবার মান উন্নয়ন
বিপণন ও প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা
সংগৃহীত তথ্যের মধ্যে থাকতে পারে:
নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, ইমেইল, বয়স, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হিসাব ইত্যাদি।
দৈনিক গণকণ্ঠের অন্যান্য সেবার ক্ষেত্রে পৃথক গোপনীয়তা নীতি প্রযোজ্য হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট সেবায় নিবন্ধনের সময় পাঠকদের সংশ্লিষ্ট নীতিমালা পড়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।
দৈনিক গণকণ্ঠ পাঠকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং সংগৃহীত তথ্য নির্ধারিত উদ্দেশ্যেই ব্যবহার নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।
দৈনিক গণকণ্ঠ নামে দেশে একাধিক নকল ওয়েবসাইট রয়েছে, যার মধ্যে বিভিন্ন ভুয়া ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত। এসব ভুয়া ওয়েবসাইট, পেজ বা গ্রুপে প্রচারিত কনটেন্টের দায় দৈনিক গণকণ্ঠ বহন করবে না।
নিম্নোক্ত যেকোনো ক্ষেত্রে পাঠক দৈনিক গণকণ্ঠকে তথ্য সংগ্রহের সম্মতি প্রদান করেছেন এবং এই গোপনীয়তা নীতির শর্তাবলি মেনে নিয়েছেন বলে গণ্য হবে—
১. সাইটে নিবন্ধন করলে
২. নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করলে
৩. জরিপ বা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলে
ওয়েবসাইট পরিচালনা, ব্যবসা ব্যবস্থাপনা ও গ্রাহকসেবা প্রদান ছাড়া পাঠকের ব্যক্তিগত তথ্য দৈনিক গণকণ্ঠ বিক্রি বা আদান-প্রদান করে না।
তবে পাঠকদের পছন্দ-অপছন্দ বোঝা, সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি বা গ্রাহকসংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণভাবে তথ্য ব্যবহৃত হতে পারে।
আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকলে বা আদালতের নির্দেশে দৈনিক গণকণ্ঠ পাঠকের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করতে পারে।
এ ছাড়া সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, অধিভুক্ত কোম্পানি, পরামর্শক বা ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছে প্রয়োজনীয় সীমার মধ্যে তথ্য সরবরাহ করা হতে পারে। অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ, তদন্ত, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ অথবা নীতি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে তথ্য ব্যবহার করা যেতে পারে। দৈনিক গণকণ্ঠ সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে, যাতে প্রকাশিত তথ্য কেবল ঘোষিত উদ্দেশ্যেই ব্যবহৃত হয়।
পাঠক বা ভিজিটর অ্যাকাউন্ট খুললে তাঁদের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। অ্যাকাউন্টের মেয়াদ শেষ হলে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলা হবে। তবে অভ্যন্তরীণ নীতিমালা অনুসারে ৫ থেকে ৭ বছর পর্যন্ত তথ্য সংরক্ষণ করা হতে পারে।
আইনি বাধ্যবাধকতা, কর, নিরীক্ষা বা প্রতিবেদন সংক্রান্ত প্রয়োজনে কিছু তথ্য সংরক্ষণ করা হতে পারে।
অপ্রত্যাশিত কারণে তথ্য মুছে ফেলতে বিলম্ব হলে তার দায় দৈনিক গণকণ্ঠ নেবে না।
ওয়েবসাইটে তৃতীয় পক্ষের পণ্য ও সেবার বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হতে পারে। এসব তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটের গোপনীয়তা নীতি পৃথক হতে পারে এবং সেসবের দায় দৈনিক গণকণ্ঠ নেবে না।
ভিন্ন লিংক, অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে প্রবেশের ফলে তথ্য ফাঁস হলে তার দায়ও দৈনিক গণকণ্ঠের নয়।
দৈনিক গণকণ্ঠ কুকিভিত্তিক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করে না।
তবে তৃতীয় পক্ষ কুকি সংগ্রহ করলে তার নিয়ন্ত্রণ দৈনিক গণকণ্ঠের হাতে থাকবে না। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট তৃতীয় পক্ষের নীতি পর্যালোচনা করার অনুরোধ করা হচ্ছে।
লক্ষ্যভিত্তিক যোগাযোগ ও প্রচারণার জন্য জনগোষ্ঠীসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা হতে পারে। ব্যবহারকারীর আচরণ বিশ্লেষণে Google Analytics ব্যবহার করা হতে পারে। ব্যবহারকারী চাইলে গুগলের অ্যাডস সেটিংসের মাধ্যমে এ সুবিধা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
দৈনিক গণকণ্ঠ সময় সময়ে ইমেইল, ফোন বা এসএমএসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। অনুষ্ঠান আমন্ত্রণ, জরিপ বা তথ্য সংগ্রহের জন্য এ যোগাযোগ করা হবে।
দেশের বাইরে থেকে ওয়েবসাইট ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রদানকৃত তথ্য এই নীতিমালা অনুসারে প্রক্রিয়াজাত হবে।
দৈনিক গণকণ্ঠের গোপনীয়তা নীতি বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পরিচালিত হবে। কোনো বিরোধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
বিপণনসংক্রান্ত ইমেইল পেতে না চাইলে ব্যবহারকারী প্রতিটি ইমেইলের নিচে থাকা “Unsubscribe” অপশনে ক্লিক করে তা বন্ধ করতে পারবেন।
ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে সাইন ইন করে নিজের ব্যক্তিগত তথ্য হালনাগাদ করতে পারবেন। তথ্য পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে তা নিজ দায়িত্বে আপডেট করতে হবে।
তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ লিখিতভাবে জানাতে হবে। অনুরোধ পাঠানো যাবে এই ঠিকানায়:
আইনি প্রয়োজনে কিছু তথ্য সংরক্ষণ করা হতে পারে। একাধিক অ্যাকাউন্ট থাকলে প্রতিটির জন্য আলাদা করে অনুরোধ করতে হবে।
দৈনিক গণকণ্ঠ যেকোনো সময় এই গোপনীয়তা নীতি সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে। পরিবর্তিত নীতি ওয়েবসাইটে প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কার্যকর হবে। পাঠকদের অনুরোধ করা হচ্ছে, নিয়মিত নীতিমালা পর্যালোচনা করার জন্য।