আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৪ মার্চ ২০২৬ , ০৩:১৫ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

#

১০ দিন পেরোলেই ক্ষেপণাস্ত্র সংকটে যুক্তরাষ্ট্র!

ছবি সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ যদি আরও দশ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র মজুত বিপজ্জনক সীমায় নেমে আসতে পারে বলে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর সতর্ক করেছে।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের চতুর্থ দিনে প্রতিরক্ষা দফতের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এই সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে জানিয়েছেন। দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের ফলে শুধু সমরাস্ত্রের অভাবই নয়, ফুরিয়ে যাওয়া গোলাবারুদ পুনরায় সংগ্রহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে বিশাল অর্থ ব্যয় করতে হবে।


যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার মজুত সবচেয়ে দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরায়েল ও অন্যান্য অঞ্চলে সমর্থন দেওয়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব মজুত ইতিমধ্যে সংকুচিত।


গত বছর ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র তাদের থাড প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রায় এক-চতুর্থাংশ ব্যবহার করেছে। বর্তমানে ইরান যে পরিমাণ ড্রোন ব্যবহার করছে, তা মোকাবিলা করার জন্য প্রয়োজনীয় ইন্টারসেপ্টরের উৎপাদন খুব ধীর।


ইরানের মাসিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন প্রায় একশো, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন মাত্র ছয়-সাতটি। যুদ্ধের আর্থিক চাপও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার পরিচালনার দৈনিক ব্যয় প্রায় ছয় কোটি পাঁচ লাখ ডলার। প্রথম ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্র প্রায় আশি কোটি ডলার খরচ করেছে।


বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সাধারণ বোমাকে উন্নত বুদ্ধিমান বোমায় রূপান্তর করার কিট ও নৌবাহিনী থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ইন্টারসেপ্টরের মজুত বর্তমানে কম। দীর্ঘস্থায়ী ও ব্যয়বহুল হামলার মুখে যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চ্যালেঞ্জের মুখে।


পেন্টাগন সতর্ক করেছে, দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অর্থনীতির জন্য বিপদজনক হতে পারে।