গণকণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০১:২৩ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

#

রিটের মুখে শুরুতেই ধাক্কা খেল জুলাই সনদ বাস্তবায়ন

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশের অধীনে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৬৮ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সনদের পক্ষে মত দেন। এর ফলে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হয়। ওই আদেশের ৮ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গতকাল মঙ্গলবার একই স্থানে দুটি শপথ হওয়ার কথা ছিল—একটি সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে এবং অন্যটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে। তবে সংস্কার পরিষদের শপথের বিষয়টি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় বিএনপি জোট ও স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিতরা দ্বিতীয় শপথ গ্রহণ করেননি। তারা শুধু এমপি হিসেবে শপথ নেন। অন্যদিকে জামায়াত ও তাদের মিত্র এনসিপিসহ অন্যান্য দলের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দুটি শপথই গ্রহণ করেছেন।

এদিকে সনদ বাস্তবায়ন আদেশের ভিত্তিতে অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফল বাতিলের দাবি জানিয়ে গতকাল হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেছেন এক আইনজীবী। এ বিষয়ে আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ শুরুতেই আইনি প্রশ্নের মুখে পড়েছে। তাদের মতে, এ আদেশ জারির প্রক্রিয়াটিও সংবিধানসম্মত হয়নি, যার ফলে শুরু থেকেই জটিলতা দেখা দিয়েছে।


জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিএনপির নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি, যা নতুন করে জটিলতার সৃষ্টি করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিরোধ না বাড়িয়ে সমস্যার সমাধান করা হবে। তিনি আরও বলেন, দেশ ইতোমধ্যে অর্থনীতিসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। একই জাতি হওয়া সত্ত্বেও বিভাজন থাকলে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়। তাই দলীয় মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এসব সমস্যা মোকাবিলা করতে হবে।