স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০১:৫২ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

#

এক বছরের রিপোর্ট চেয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ছবি : সংগৃহীত

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই ব্যস্ত আমিনুল হক। রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে দেশের ৫১টি ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন জাতীয় দলের সাবেক এই ফুটবলার। সেখানে প্রতিটি ফেডারেশনের কর্তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনার সঙ্গে কিছু বিষয়ও জানতে চেয়েছেন আমিনুল। বিশেষ করে ফেডারেশনগুলোর গত এক বছরে কী সাফল্য এবং কী ব্যর্থতা ছিল, তা আগামী সাত দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ে জমা দিতে বলেছেন তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনসহ বিভিন্ন ফেডারেশনের কর্তারা তাদের দাবিগুলো মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন। 


ক্রিকেট ছাড়া বাকি সব ফেডারেশনের আর্থিক ও অবকাঠামোগত সংকট আছে। ফুটবল দেশের জনপ্রিয় খেলা হলেও এখন পর্যন্ত নিজেদের কোনো একক স্টেডিয়াম নেই। বাকি ফেডারেশনগুলোর অবস্থাও করুণ। অনেক ফেডারেশনই গতকাল নিজেদের স্বল্প বাজেট, অনুশীলন সমস্যা, অফিস কক্ষ না থাকার বিষয়টি ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করে। ঘণ্টা তিনেক ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার পর আমিনুল জানিয়েছেন খেলোয়াড়দের বেতনের আওতায় আনতে চান, ‘খেলোয়াড় যারা বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করছে, দেশের জন্য যারা সম্মান বয়ে আনার জন্য নিজেকে উজাড় করে খেলার চেষ্টা করছে, সেই খেলোয়াড়দের আমরা একটি বেতন কাঠামোর ভেতরে আনতে চাই। ফেডারেশনকে বলেছি, একটি তালিকা দিতে এবং সেই তালিকা প্রদানের মাধ্যমে সেটাকে আমরা যাচাই-বাছাই করে ঠিক করব। যেন ঈদের পর তা বাস্তবায়ন করতে পারি।’

খেলার সামগ্রী করমুক্ত করা কিংবা কর কমানোর চিন্তা আছে বলে জানিয়েছেন আমিনুল, ‘আমরা এখানে আলোচনা করেছি যে খেলার সামগ্রী কীভাবে ট্যাক্স ফ্রি করে দেওয়া যায়। পাশাপাশি আমাদের স্পন্সরদের কিছু ফান্ড রয়েছে, সিএসআর ফান্ড রয়েছে; সেগুলোকে কীভাবে আমরা আমাদের অর্থমন্ত্রী ও এনবিআর রয়েছে, তাদের সঙ্গে কথা বলে কিংবা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে কথা বলে কীভাবে সেই সিএসআর ফান্ড আমরা স্পোর্টসের জন্য কাজে লাগাতে পারি, সে বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’

বর্তমানে অধিকাংশ ফেডারেশনই চলছে অ্যাডহক কমিটি দিয়ে। ফেডারেশনগুলোর নির্বাচনের কথাও বলেছেন আমিনুল, ‘আমরা সেই উপজেলা থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় শেষ করে ফেডারেশনগুলোতে নির্বাচন আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ করতে চাই। এটি একটি প্রক্রিয়ার ভেতরে একটু সময়ের ব্যাপার।’ আর ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টিসের’ একটি কর্মপরিকল্পনা রয়েছে, সেটি ঈদের পরপরই শুরু করতে চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।