প্রকাশিত: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০২:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ঘুষের টাকা কম হওয়ায় কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক মাইদুল ইসলাম খানকে কৌশলে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন রংপুর আঞ্চলিক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অফিসের উপপরিচালক রোকসানা বেগম। মঙ্গলবার বিকেলে রৌমারী উপজেলার কাজাইকাটা এলাকায় নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন মাইদুল ইসলামের স্ত্রী জাহানারা খাতুন।
লিখিত বক্তব্যে জাহানারা খাতুন জানান, কাজাইকাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও তিনজন কর্মচারীর এমপিওভুক্তির জন্য দীর্ঘদিন ধরে আবেদন করা হলেও কোনো কারণ ছাড়াই বারবার ফাইলগুলো বাতিল করা হচ্ছিল। এক পর্যায়ে উপপরিচালক রোকসানা বেগম মাইদুলের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করে জানান, নির্বাচিত সরকার আসার পর এসব এমপিও সহজে হবে না। তিনি দ্রুত ফাইল ছাড়ানোর জন্য ১৫ লাখ টাকা (শিক্ষকের জন্য ৬ লাখ এবং তিন কর্মচারীর জন্য ৯ লাখ) দাবি করেন এবং গত ৯ ফেব্রুয়ারি টাকা নিয়ে সশরীরে অফিসে আসতে বলেন।
কর্মকর্তার কথা অনুযায়ী সেদিন তাঁর স্বামী আট লাখ টাকা নিয়ে রংপুর আঞ্চলিক অফিসে যান। কিন্তু টাকার পরিমাণ কম হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন রোকসানা বেগম। তিনি অধীনস্ত কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জোর করে ব্যাগ থেকে টাকা বের করেন এবং প্রশাসনের লোক ডেকে নাটকীয় পরিবেশ তৈরি করে মাইদুল ইসলাম খানকে গ্রেপ্তার করান। ঘুষের লেনদেনকে আড়াল করতেই এই গ্রেপ্তারের নাটক সাজানো হয়েছে বলে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক রোকসানা বেগম তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তিনি ওই শিক্ষককে আসার জন্য কোনো নির্দেশনা দেননি এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।