গণকন্ঠ প্রতিবেদক

মোঃ জিয়ান, মোহনগঞ্জ প্রতিনিধি।

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০২:৩১ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

#

হাওরাঞ্চলে হোমিও ঔষধের লেভেল লাগিয়ে বিপদ জনক মাদক ব্যবসা

ছবি; গণকন্ঠ

ম্যানুপেকচারিংয়ে হোমিও ঔষধ, ভেতরে বিপদজনক মাদক রেফ্টিফাইড স্পিরিট।  বোতলজাত এসব মাদক হাওরাঞ্চলের মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়ি, ধর্মপাশা, মধ্য নগরসহ বেশ কয়েকটি উপজেলায় কিছু সংখ্যক হোমিও দোকানে ঔষধের আড়ালে মাদক সেবীদের কাছে বিক্রি করা হয়।

প্রায় এক যুগের উপরে সময় ধরে  এই মাদকের ডিলার হিসেবে যিনি ব্যবসা করে আসছেন, তিনি মোহনগঞ্জ বাজারের তুলা পট্টিতে নামদারী  হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক  বকুল  চন্দ্র সরকার ( ৪৫)।


 যার হাত ধরে  হাওরাঞ্চলে মাদকের ব্যপকতা বৃদ্ধি পেয়েছে।  শনিবার মোহনগঞ্জ  থানা পুলিশ ও নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা যৌথ অভিযান চালিয়ে ২৮৬ বোতল   মাদকের একটি চালান সহ তাকে গ্রেফতার করে নেত্রকোনা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নিয়ে গেছে।


 এ সময় মাদকের চালান বহনকারী টাঙ্গাইল ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজার মেসার্স টাঙ্গাইল ট্রান্সপোর্ট  এজেন্সির পরিচালক দেওথান গ্রামের মো: আবুবকর ছিদ্দিক, এসিস্ট্যান্ট ম্যনেজার   বারহাট্টার সদরপুর গ্রামের মো: সুজাত মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার পার্শ্ববর্তী  ব্যবসায়ীর তথ্য মতে জানাযায়,  দীর্ঘ এক যুগের উপরে ঐ ব্যবসা করে আসছে বকুল সরকার।  বকুল একা নয় আরও অনেকেই রয়েছে এই ব্যবসায় জড়িত  । 


 তার একার পক্ষে এ ব্যবসা মোহনগঞ্জ থেকে পরিচালনা করা সম্ভব ছিলনা। এই ব্যবসায় বকুলের পেছনে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি রয়েছে।  তারা বকুলের সাথে  থাকায় তুলা পট্টির অন্য দোকানদাররা এ ব্যপারে বকুলকে কিছু বলার সাহস দেখাতে পারেনি।


মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাফিজুল ইসলাম হারুন জানান,  মাদকের বোতলে হোমিওপ্যাথি ঔষধের লেভেল লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এ ব্যবসা করে আসছে বকুল সরকার। তবে এর সাথে  আরও  অনেকেই থাকতে পারে ।  তদন্ত শেষে  কারো সম্পৃক্ততা পেলে আইনের আওতায় আনা হবে।