প্রকাশিত: ০২ মার্চ ২০২৬ , ০৪:২৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ছবি : সংগৃহীত
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থার (আইএইএ) প্রধান রাফায়েল গ্রোসি। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো স্থাপনায় হামলা বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
সোমবার (০২ মার্চ) ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাফায়েল গ্রোসি বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে এমন কোনো তথ্য নেই যা নির্দেশ করে যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা হয়েছে বা সেগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, অপরিহার্য যোগাযোগের চ্যানেলটি যত দ্রুত সম্ভব পুনঃস্থাপন সম্ভব হবে।
গ্রোসি আরও বলেন, পরিস্থিতির আরও অবনতি এড়াতে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন জরুরি। আমাদের কূটনীতি ও আলোচনায় ফিরে যেতে হবে।
আইএইএ প্রধান বলেন, এখন পর্যন্ত ইরান-সংলগ্ন দেশগুলোতে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেশি তেজস্ক্রিয়তার কোনো লক্ষণ শনাক্ত হয়নি। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। গুরুতর পরিণতির সম্ভাবনাসহ কোনো রেডিওলজিক্যাল নিঃসরণ পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এর ফলে বড় শহরের সমান বা তার চেয়েও বড় এলাকায় লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এই যুদ্ধ আরও চার সপ্তাহ প্রলম্বিত হতে পারে। কারণ, দেশটি বড়। তবে তারা যতই শক্তিশালী হোক না কেন, চার সপ্তাহের বেশি সময় লাগবে না।’ এ সময় চলমান অভিযানে সৌদি আরবও যুক্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তবে রিয়াদ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কিছু বলেনি।
অন্যদিকে লেবাননের অর্ধশতাধিক গ্রাম খালি করার নির্দেশ দিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। সোমবার (২ মার্চ) ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননের অর্ধশতাধিক জনপদ ও শহরের বাসিন্দাদের সতর্কবার্তা দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। তারা বলেছে, হামলার পূর্বে অতিসত্বর যেন চিহ্নিত জনপদ ত্যাগ করা হয়। এসব জনপদের ১ হাজার মিটারের ভেতরে কেউ থাকলে তার জীবন বিপন্ন হতে পারে।
তারা আরও বলেছে, যারা হিজবুল্লাহর ছায়ায় থাকবে কিংবা তাদের রসদ সরবরাহ করবে, তাদেরও টার্গেট করবে ইসরায়েল।