সাকিব হাসান নাইম, ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ০১ মার্চ ২০২৬ , ১২:১২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সিরাজুল আল সামস (৭) হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তার গ্রেপ্তার চাচাতো ভাই আমানুর ইসলাম ওরফে আমান (২১)। শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস), দিনাজপুর।
নিহত সামস উপজেলার আমরুলবাড়ি ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মমিনুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। সে স্থানীয় আফতাবগঞ্জ চাইল্ড কেয়ার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আমানুর ইসলাম হত্যার দায় স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ধারালো ছুরি উপজেলার একটি ভুট্টাখেত থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া তার বাড়ির চুলা থেকে রক্তমাখা একটি লাঠিও উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
শুক্রবার রাতে তারাবিহ নামাজের আগে সামসকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান আমানুর। পরে তাকে একটি পরিত্যক্ত কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরবর্তীতে মরদেহ মাদ্রাসা সংলগ্ন একটি ভুট্টাখেতে ফেলে রাখা হয়।
সামসের মা শাম্মী আক্তার জানান, ঘটনার সময় আমানুর কৌশলে তাকে ব্যস্ত রাখেন। পরে ছেলের খোঁজ করতে গিয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় ভুট্টাখেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় নিহতের বাবা মমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে আমানুর ইসলামকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।