গণকন্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০৩:১৯ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

#

সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় সুলতানা রাজিয়া শাওন

ছবি : সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মঙ্গলবার সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। প্রথমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শপথ নেন, পরে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন।




এবার রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংরক্ষিত নারী আসন। কে হচ্ছেন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য—তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে বর্তমান সরকার শিগগিরই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।


এ প্রেক্ষাপটে নেত্রকোনা জেলার সর্বস্তরের জনগণ সংরক্ষিত নারী আসনে একজন যোগ্য, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রীকে দেখতে চান। তাদের প্রত্যাশা—মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক মেধাবী ছাত্রনেত্রী (ইডেন কলেজ), সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জেলা বিএনপি নেত্রকোনা এবং সাবেক সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা সুলতানা রাজিয়া শাওনকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হোক।


জানা যায়, সুলতানা রাজিয়া শাওন শিক্ষাগত যোগ্যতা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ একজন নেত্রী। তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিভাগে বি.এ. (অনার্স) ও এম.এ. সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া লন্ডনের নর্দামভুইয়া ইউনিভার্সিটি থেকে ডিপ্লোমা ইন ল’, লিডস ট্রিনিটি ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং বর্তমানে হার্টফোর্ডশায়ার ইউনিভার্সিটিতে এলএলএম অধ্যয়নরত।


রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি নিজেকে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। বিশেষ করে ১/১১–এর সময় বিএনপির দুঃসময়ে তিনি সক্রিয়ভাবে রাজপথে ছিলেন এবং জিয়া পরিবারের পাশে অবস্থান করেন। বিভিন্ন আন্দোলন, হরতাল ও কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি একাধিকবার গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও জানা যায়।


সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাসভবন থেকে উচ্ছেদের সময় জাহাঙ্গীর গেটে পুলিশি হামলায় তিনি আহত হন এবং তার হাতের কব্জি ভেঙে যায় বলে দলীয় নেতাকর্মীরা দাবি করেছেন। এছাড়া গুলশান কার্যালয় অবরুদ্ধ থাকার ঘটনাতেও তিনি সক্রিয়ভাবে উপস্থিত ছিলেন।


দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার ত্যাগ, নিষ্ঠা ও সাংগঠনিক দক্ষতার যথাযথ মূল্যায়ন হোক—এটাই নেত্রকোনাবাসীর প্রত্যাশা। তাদের বিশ্বাস, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনীত হলে তিনি জাতীয় সংসদে জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।