আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ০১:২১ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

#

উ. কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোনের পদোন্নতি

ছবি: সংগৃহীত

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জংকে ক্ষমতাসীন দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। একই কংগ্রেসে আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের অর্থনৈতিক এজেন্ডা নির্ধারণ করেছেন কিম জং উন।

দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পিয়ংইয়ংভিত্তিক রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) মঙ্গলবার জানায়, ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়ার কেন্দ্রীয় কমিটি কিম ইয়ো জংকে পূর্ণ বিভাগীয় পরিচালক হিসেবে মনোনীত করেছে। এর আগে তিনি উপবিভাগীয় পরিচালক ছিলেন।

দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, কিম ইয়ো জংকে সম্ভবত প্রচার বিভাগের নেতৃত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিভাগের কাজ আন্তঃকোরীয় সম্পর্ক ও বহির্বিশ্বের সঙ্গে কৌশলগত অবস্থান তদারকি করা।

পাঁচ বছরে একবার অনুষ্ঠিত ওয়ার্কার্স পার্টির শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে হাজারো প্রতিনিধি রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ে জড়ো হন। কূটনীতি থেকে শুরু করে সামরিক পরিকল্পনা—রাষ্ট্রের বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করা হয় এ সম্মেলনে।

সোমবার প্রতিনিধি সদস্যরা কিম জং উনকে ওয়ার্কার্স পার্টি অব কোরিয়ার মহাসচিব হিসেবে পুনর্নির্বাচিত করেন। এর ফলে দেশের একমাত্র ক্ষমতাসীন দলের নেতৃত্বে তার প্রায় ১৫ বছরের শাসনকাল আরো দীর্ঘায়িত হলো এবং ক্ষমতার ওপর তার নিয়ন্ত্রণ আরো দৃঢ় হয়েছে।

কিম ইয়ো জং তার ভাই কিম জং উন-এর সঙ্গে সুইজারল্যান্ডে পড়াশোনা করেন। ২০১১ সালে তাদের বাবার মৃত্যুর পর কিম জং উন ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তিনি দ্রুত রাজনৈতিক পদমর্যাদায় উন্নীত হন। ২০১৮ সালে আন্তঃকোরীয় সম্পর্ক উন্নয়নের সময় তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত পিয়ংচ্যাং শীতকালীন অলিম্পিক উপলক্ষে দেশটি সফর করেন।

পিয়ংইয়ং প্রায়ই নিজেদের সরকারি অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বা দক্ষিণ কোরিয়া এবং তার মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করতে তার নাম ব্যবহার করে থাকে।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, কিম ইয়ো জংয়ের পদোন্নতির ঘোষণা এমন সময়ে এলো, যখন তার ভাই আগামী পাঁচ বছরে উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি সুসংহত ও উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সোমবার এক ভাষণে কিম জং উন আগামী পাঁচ বছরকে ‘পূর্ণাঙ্গ অগ্রগতির পর্যায়’ হিসেবে উল্লেখ করে চিন্তাধারা, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতিতে বিপ্লব আনার আহ্বান জানিয়েছেন বলে কেসিএনএ জানিয়েছে।