প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০২৬ , ০৩:৩৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ছবি সংগৃহীত
২০২৬ সালের আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা পাঁচ দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ঘরমুখো মানুষ এবং জনসাধারণের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সরকার এই ছুটি আরও বাড়ানোর সম্ভাবনা যাচাই করছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ৫ মার্চ মন্ত্রিসভা বৈঠকে ঈদুল ফিতরের ছুটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সরকারি ঘোষিত ছুটি অনুযায়ী, ২১ মার্চ (শনিবার) ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে, এবং সরকারি ছুটি নির্ধারিত হয়েছে ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত। অর্থাৎ ঈদের আগে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু করে সোমবার পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীরা ছুটি উপভোগ করবেন।
ঈদের পরপরই আসে জাতীয় দিবস, ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) স্বাধীনতা দিবস। পরের দুই দিন শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন।
যদি ২৪ ও ২৫ মার্চকে নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ছুটির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে সরকারি ছুটি সহজেই ১০ দিন পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। এর ফলে কর্মচারীরা দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিবার ও গ্রামের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন।
এছাড়া ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) শবেকদরের ছুটি থাকায়, তা ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে সামগ্রিকভাবে আরেকটি সুবিধাজনক দিন হিসেবে গণ্য হতে পারে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়েছে, তারা এক বা একাধিক দিন ছুটি বাড়ানোর প্রস্তাব করতে পারেন, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মন্ত্রিসভাই গ্রহণ করবে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দেশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়। প্রথম রোজা শুরু হয় ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে। এ হিসাব অনুযায়ী চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হতে পারে।
সরকারি ছুটির এই পরিকল্পনা জনসাধারণকে সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘ সময়ের জন্য পরিবার ও আত্মীয়দের সঙ্গে আনন্দময় সময় কাটানোর সুযোগ করে দেবে। বিশেষ করে যারা গ্রামে থাকেন, তারা দীর্ঘ ছুটিতে বাড়ি ফিরে পরিবার ও সমাজের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পারবেন।